বর্তমানে বাজারে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা, তবে শিল্প সংস্থা এই দাম ২১৮ টাকায় বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাঁচ লিটারের বোতলের দাম ১,০০০ টাকা থেকে ১,০৭০ টাকা এবং খোলা তেলের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ১৯৯ টাকায় সমন্বয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সংস্থাটি ১৩ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে, যেখানে আন্তর্জাতিক কাঁচামার দাম ও দেশীয় জ্বালানি‑পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধির উল্লেখ করে মূল্য সমন্বয় দাবি করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হতো, তবে মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন করেনি।
সংস্থার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মোল্লা চিঠিতে উল্লেখ করেন, গত ছয় মাসে আন্তর্জাতিক ভোজ্যতেলের দাম বাড়ে; প্রতি টন কাঁচামার দাম ১,৩০০ ডলার থেকে ১,৩২৫ ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দর বিবেচনা করে, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের সঠিক দাম প্রায় ২৩৩ টাকা হওয়া উচিত, যা দেশের জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় যুক্ত করে হিসাব করা হয়েছে।
দেশের বাজারে সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানো হয়, যার আগে এক লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯৯ টাকা ছিল; নতুন সমন্বয়ের পরে দাম ২০৪ টাকা হয়েছে। ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলি দাবি করে যে, পূর্বের মূল্য সমন্বয়ের সময় সরকার দ্রুত পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল, তবে দীর্ঘ সময় দাম না বাড়িয়ে তারা ক্ষতি স্বীকার করে সরবরাহ চালিয়ে যাচ্ছে।
চিঠিতে সংস্থাটি সতর্ক করেছে, দ্রুত মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে রমজান মাসে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এখনো অনুমোদিত হয়নি, তাই নতুন দাম কার্যকর হবে কি না তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।