সর্বশেষ সংবাদ, সবার আগে
শিরোনাম
ট্রাম্পের 'কারচুপি'র দাবি সত্ত্বেও ব্রাজিলের নির্বাচন মেনে নিল বলসোনারোর দল চট্টগ্রামে লরি চাপায় নিহত ৫ মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-৫ প্রাইভেসি রক্ষায় নীরবতার আড়ালে দুর্লভ রোগীদের অস্তিত্বহীনকরণ: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সংকট রাতের প্যাঁচা থেকে সকালের পাখি: জৈবঘড়ি ঠিক রাখার কার্যকরী পদ্ধতি নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ইসরায়েলের নির্বাচনী দিন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে অনিশ্চয়তা হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার জটিলতা, দূরদূরান্তের শিশুদের শেষ ভরসা ঢাকা পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতুর অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ব্যবসায় বরকত লাভে মুমিনের ৩ অভিজ্ঞতা ইতালিজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ-সহিংসতার পেছনে কী, উদ্বেগে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও গুলশানে কিংফিশার রেস্তোরাঁতে গোপন গুদাম ফাঁস, বিপুল মদ‑বিয়ার জব্দ বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান ব্যালন ডি’অর: তারায় খচিত লন্ডন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি গঠন, এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের অনুমোদনে চিত্রনায়িকা শিমু হত্যা মামলায় সাফাই সাক্ষ্য ১৯ নভেম্বর ফটিকছড়ির চা-বাগানে শিশুদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ: প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কক্সবাজারে পর্যটক নিহত হওয়ার ঘটনায় জামিনযোগ্য মামলা, ওসিকে আদালতে তলব রেস্তোরাঁয় গোপনে তরুণ-তরুণীর ছবি তুলে ছড়ানোর অভিযোগে দুজন গ্রেপ্তার হাল ফ্যাশন ও এনেক্স গাঁটছড়া: ফ্যাশন, লাইফস্টাইল ও সৃজনশীল উদ্যোগে নতুন সম্ভাবনা আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদি আরবে প্রবেশের সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা- প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী
ad728

প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে পরিকল্পনার কথা জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ

প্রিন্ট
প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে পরিকল্পনার কথা জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ
ছবি সংগৃহীত
অডিও নিউজ
স্বয়ংক্রিয় পাঠ—ডিভাইসের সেরা উপলভ্য ভয়েস ব্যবহার করবে।
00:00 00:00
অডিও প্রস্তুত।
বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান প্রস্তাব তৈরির জন্য ছয় মাসের সময় বেঁধে দিয়ে ‘চ্যালেঞ্জ’ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজ প্রতিক্রিয়া ও সমাধান প্রস্তাব তুলে ধরেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিরোধী দলকে উদ্দেশে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমাধান যদি বিরোধী দল দিতে পারে, তবে সরকার তা সানন্দে গ্রহণ করবে। কিন্তু যদি না পারে, তবে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে তাদের ক্ষমা চাইতে হবে। বিভ্রান্তি ও হঠকারী রাজনীতি বাদ দিয়ে জনগণের উপকার হয়—এমন পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’

প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হাসনাত আবদুল্লাহ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কথা জানান এবং বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান নিয়ে তাদের দলীয় প্রস্তাবনাগুলো পুনরায় তুলে ধরেন।

হাসনাত আবদুল্লাহর ফেসবুক পোস্টটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো:
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। 

আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহন করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।

এক. চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল যে সমাধান ইতিমধ্যেই টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬–১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। ( কমেন্টে সংযুক্ত)

অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে। ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যান এবং ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন বিরোধীদলীয় সদস্যারা। মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষনা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ডাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তাঁর কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।

দুই. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি, গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার।

এনসিপি'র দেওয়া ৩০ দিনের জন্য ৫টি, মধ্যমেয়াদি (৬-১৮ মাস) ৬টি এবং দীর্ঘমেয়াদে ৪টি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে নিন প্লিজ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

 বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধীদল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।  

তিন. ছয় মাসে প্রশাসনে যে হারে দলীয় পদায়ন হয়েছে, তাতে ইনস্টিটিউশনাল মেমরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত। সচিবালয়ে যাঁরা এসেছেন তাঁরা নতুন, অনভিজ্ঞ, এবং লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন। মহেশখালী FSRU-তে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।

চার. আজ আমরা একটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি। সরকার বলছে ডলার ও বকেয়ার কারণে বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ ভারী শিল্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানী সংকটে বন্ধ হয়ে পড়েছিল।  

তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বাস্তবায়ন করছেন না কেন? এই কাঠামোয় বেসরকারি উৎপাদক সরাসরি বড় শিল্প ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে, দর দুই পক্ষ ঠিক করে, বিইআরসি কেবল অবহিত থাকে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে যায়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে এক টাকাও লাগে না। বাকি কাজ কেবল SLA ফরম্যাট ও হুইলিং চার্জ চূড়ান্ত করা ,যা কয়েক সপ্তাহের প্রশাসনিক কাজ, রকেট সায়েন্স নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি বলার আগেই আমরা সমাধান দিয়েছি। আপনারা সেটা পড়ার দরকার মনে করেননি কিংবা আপনার কাছে পৌঁছানো হয়নি। তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।

পুনরাবৃত্তি করছি- প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে 'আই হ্যাভ এ প্ল্যান' বলে না। এটা হচ্ছে 'আই হ্যাভ নো প্ল্যান' এর টেস্টিং'।

একটি প্র্যাক্টিসিং ডেমোক্রেসিতে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলকে আল্টিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয়না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে।

এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে, সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়লো! এই রাষ্ট্র কেনো অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?

সবশেষে, সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল।

অটো ফটো কার্ড

একটি পেশাদার standard social-news card।

1080 × 1275 px
ফটো কার্ড এখনো তৈরি হয়নি দেওয়া sample-এর মতো portrait HD card তৈরি হবে।
অটো ফটো কার্ড
নিচের বিজ্ঞাপন ব্যানার সাইটের বর্তমান horizontal banner স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহার হবে।
ad728

এ জাতীয় আরও খবর