রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকায় ঘর থেকেই ১০ বছরের এক শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণের ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির মায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি বর্তমানে মানসিকভাবে অত্যন্ত ভেঙে পড়েছে এবং সে নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছে। এই ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শিশু নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিটি শিশুটির পরিচিত ছিল। সে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। এরপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে শিশুটির সাথে অসদাচরণ করে। ঘটনাটি শিশুটির মা জানতে পারলে সে সাথে সাথে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শিশুটির মা জানান, তার মেয়েটি প্রতিদিন স্কুলে যেত এবং বাড়িতে থাকত। কিন্তু এই ঘটনার পর থেকে মেয়েটি ভীষণ ভয় পেয়ে আছে। সে এখন কারও সাথে কথা বলতে চায় না। পরিবারের অন্য সদস্যরাও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তারা চান, অভিযুক্ত ব্যক্তিটির কঠোর শাস্তি হোক।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিটিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে মামলার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। শিশুটির মেডিকেল রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, শিশু ধর্ষণের মামলায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে।