ওয়াশিংটন দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, এই কেন্দ্রগুলো চীনা প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে এবং এগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে। হেগসেথ বলেছেন, কংগ্রেসের বিধিনিষেধ আরোপের পরও কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটগুলো ছদ্মবেশে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছে; তিনি এগুলোকে ‘স্লিপার অর্গানাইজেশন’ (সুপ্ত সংগঠন) বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বলেন, “দেখা গেছে যে, ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন ভিন্ন নাম ও সনদের আড়ালে ৮০টি নতুন প্রচারণামূলক কেন্দ্র গড়ে উঠেছিল। এগুলোর লক্ষ্য ছিল একই—বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ চুরি করা এবং আমেরিকান শিক্ষার্থীদের চিন্তাজগতে অনুপ্রবেশ করা।” ভিডিওটিতে হেগসেথ জানান, চীনা সরকারের মদতপুষ্ট সাংস্কৃতিক কর্মসূচিগুলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুপ্রবেশ করেছিল এবং কংগ্রেসের বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করেছিল। তিনি আরও বলেন, গত দুই মাসে পেন্টাগন “সুপরিকল্পিতভাবে এই প্রতিটি সংগঠনকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।” ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে কোনো সাড়া দেয়নি।
সূত্র আল জাজিরা