গ্রীষ্মের শেষের দিকে গৃহীত জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নাবা তিনজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সঙ্গে উপস্থিত হন। অনুষ্ঠানের উজ্জ্বল আলো, সঙ্গীত ও সমাবেশের মাঝে হঠাৎ তার মুখে এক অনন্য স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে; কারণ ২০১৯ সালে বাবার হাতে তাকে ফ্যান্টাসি কিংডমে নিয়ে যাওয়ার স্মৃতি হঠাৎ তার মনের গহ্বরে জাগে। সেই দিনটি ছিল তার জীবনের প্রথম বড় স্বপ্নের সূচনা, যেখানে বাবার আদর্শ ও স্নেহের ছোঁয়া তাকে নতুন দিগন্তের পথে চালিত করেছিল। আজকের এই সংবর্ধনা, যেখানে নাবা তার ক্যারিয়ারকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে চায়, সেখানে বাবার স্মৃতি তাকে আবার একবার নতুন প্রতিজ্ঞা নিতে উদ্বুদ্ধ করে।
নাবার বাবার সঙ্গে ফ্যান্টাসি কিংডমে যাত্রা ছিল তার শৈশবের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। তখন নাবা মাত্র দশ বছর বয়সে ছিলেন, আর বাবার হাত ধরে রোলার কোস্টার, জাদু প্রদর্শনী ও রঙিন পার্কের দিকনির্দেশনা অনুসরণ করতেন। সেই অভিজ্ঞতা তার কল্পনা শক্তি ও সৃজনশীলতাকে তীব্রভাবে গড়ে তুলেছিল, যা পরবর্তীতে তার শিল্পকর্ম ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়। তবে, বাবার অকাল মৃত্যুর পর নাবা বহু বছর আত্মবিশ্বাসের অভাব ও দুঃখের ছায়ায় কাটিয়েছেন; তবু তিনি তার স্মৃতিকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে নিজেকে পুনর্গঠন করেছেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নাবা সংক্ষিপ্ত ভাষণে তার বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বাবা আমাকে স্বপ্ন দেখার সাহস শিখিয়েছেন; আজ আমি এখানে দাঁড়িয়ে তার স্মৃতিকে সন্মান জানাতে চাই।” তার তিনজন বন্ধুও তার সঙ্গে সমর্থনসূচক মন্তব্য করেন, যেখানে তারা নাবার দৃঢ়তা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশংসা করেন। উপস্থিত দর্শকও নাবার এই ব্যক্তিগত গল্পে মুগ্ধ হয়ে তালি ও উল্লাসের মাধ্যমে তার নতুন প্রতিজ্ঞাকে স্বাগত জানায়। সামাজিক মাধ্যমে এই মুহূর্তটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে বহু মানুষ নাবার গল্পকে অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করে।
সংগঠকরা নাবার বাবার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিশেষ একটি স্মারক তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে এমন আরও অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে, যেখানে পরিবারের স্নেহ ও সমর্থনকে কেন্দ্র করে মানবিক মূল্যবোধকে তুলে ধরা হবে। নাবা নিজেও ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্ন অনুসরণে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এভাবে, বাবার স্মৃতি ও নাবার নতুন প্রতিজ্ঞা একসাথে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের সেতু গড়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।